প্রতীকী ছবি।
শ্রীমঙ্গল (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি //
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার সদর ইউনিয়নের দক্ষিণ উত্তরসুর তালতলা গ্রামের একটি মসজিদ নির্মাণ হওয়ার ৫ বছর পর মসজিদের জমি নিজেদের দাবি করে মসজিদে হামলা চালিয়ে বিভিন্ন স্থাপনা ভাঙচুর করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এবিষয়ে তালতলা গ্রামের মানিক মিয়ার ছেলে মো. সোরাব মিয়াসহ ৮জনের নামে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন মসজিদ কমিটির সেক্রেটারি মো. রহিম মিয়া। অভিযুক্ত অন্যান্যরা হলেন, সোরাব মিয়ার ছেলে ইমন মিয়া, হাসিম মিয়ার ছেলে তারেক মিয়া, রফিক মিয়ার ছেলে লিটন মিয়া, জাহাঙ্গীর মিয়া পিতা অজ্ঞাত, আসাদ মিয়ার ছেলে সোহাগ মিয়া, খলিল মিয়ার ছেলে কালাম মিয়া ও কামদার মিয়া। অভিযুক্তরা সবাই দক্ষিণ উত্তরসুরের তালতলা গ্রামের বাসিন্দা।
অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, মো. রহিম মিয়া দেড় বছর ধরে ওই মসজিদের সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন আসছেন। গত ২৬ সেপ্টেম্বর শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে তালতলা গ্রামের সোরাব মিয়া মুসল্লিদের জানান, মসজিদটি উনার জমির উপর নির্মাণ করা হয়েছে। এই বলে মসজিদ খালি করার জন্য মুসল্লীদের নির্দেশ দেন। তখন মসজিদের জমি যে উনার সেই কাগজপত্র দেখাতে বলা হলে, সে কোন কাগজ দেখাতে পারেনি। পরে বিষয়টি স্থানীয় মুরব্বী মুছাব্বির মিয়াসহ অন্যান্যদের অবগত করা হয়। মুরব্বীরা সোরাব মিয়ার সাথে আলোচনা করে আগামী ১০ অক্টোবর বিষয়টি সালীশী বৈঠকের মাধ্যমে সমাধানের তারিখ নির্ধারণ করা হলেও সোরাব মিয়া সঙ্গবদ্ধ দলবল নিয়ে মসজিদে এসে হামলা চালিয়ে মসজিদের অজুখানা, গোসলখানা, মসজিদের পাকা-ফ্লোরসহ বিভিন্ন স্থাপনা ভেঙে প্রায় দুই লক্ষ টাকার ক্ষয়-ক্ষতি করেন। এসময় মসজিদের জমিতে সীমানা পিলার দিয়ে মসজিদটি দখল করে নেন। তখন সেখানে উপস্থিত থাকা বাধাদানকারীরা প্রাণ ভয়ে এগিয়ে আসেননি।
মসজিদ কমিটির সেক্রেটারি রহিম মিয়া বলেন, সোরাব মিয়ার এমন কার্যকলাপে আমরা আতঙ্কিত। যেকোন সময় এলাকায় আইনশৃঙ্খলার অবনতি হতে পারে। তিনি স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও মেম্বারের সাথে কথা বলে আইনী ভাবে বিষয়টি সমাধান করতে শ্রীমঙ্গল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত সোরাব মিয়া মসজিদ ভাংচুর করার কথা অস্বীকার করে বলেন, তার মালিকানাধীন জায়গার ওপর অস্থায়ী মসজিদ তৈরি করার কথা বলে নতুন মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছে। পূর্বের মসজিদের স্হাপনা সরানো হয়েছে শুধু। এই বিষয়ে অনেক কথা আছে রহিম মিয়ার বিরুদ্ধে সাক্ষাতে দেখা হলে বিস্তারিত জানাবেন বলে জানান।
এ বিষয়ে শ্রীমঙ্গল থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আমিনুল ইসলাম দ্যা ডেইলি মর্নিং সান'কে জানান, অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
Editor and Publisher : Nityananda Sarkar,
News Editor- Arun Sarkar.