
দ্যা ডেইলি মনিং সান অনলাইন ডেস্ক //
ফ্লোরিডার সিয়েস্তা কি এলাকায় বুধবার (৯ অক্টোরব) রাতে হারিকেন মিলটন আঘাত হেনেছে। ক্যাটাগরি ৩ শক্তির এই ঝড়ের কেন্দ্রীয় বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১২০ মাইল (প্রায় ১৯৩ কিলোমিটার)। তবে সমুদ্রতীরে আসার আগে থেকেই ঝড়ের প্রভাব ব্যাপক আকারে ধ্বংসযজ্ঞ চালায়।
জাতীয় হারিকেন সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী, এটি ২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রে আঘাত হানা পঞ্চম হারিকেন, যা গত ৩ বছরের মিলিত ঝড়ের চেয়েও বেশি। খবর দ্যা গার্ডিয়ানের।
ফ্লোরিডা ডিভিশন অব ইমার্জেন্সি ম্যানেজমেন্টের পরিচালক কেভিন গুথরি জানিয়েছেন, ঝড় আঘাত হানার আগে থেকেই প্রায় ১২৫টি ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়ে যায়, যার বেশিরভাগই ছিল মোবাইল হোম। সেগুলো প্রধানত প্রবীণ নাগরিকদের বসবাসের এলাকায় ছিল।
poweroutage.us- ওয়েবসাইটের তথ্যানুসারে, বুধবার রাতে ফ্লোরিডার ১৫ লাখের বেশি বাড়িঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন অবস্থায় ছিল। হার্ডি কাউন্টি এবং এর আশপাশের সারাসোটা ও ম্যানাটে কাউন্টিতে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতার হার সবচেয়ে বেশি।
মঙ্গলবার রাতে, ফ্লোরিডার সারাসোটা থেকে ২০ মাইল উত্তর-পূর্বে ঝড়টির অবস্থান ছিল এবং এটি কিছুটা দুর্বল হয়ে ১১০ মাইল বেগে (১৭৫ কিলোমিটার) বাতাস নিয়ে ক্যাটাগরি ২ ঝড়ে পরিণত হয়। পূর্ব-উত্তরপূর্ব দিকে ১৬ মাইল (প্রায় ২৬ কিলোমিটার) গতিতে অগ্রসর হওয়া হারিকেনটি টাম্পা ও আশপাশের এলাকায় ভারী বৃষ্টিপাত এবং বন্যার সম্ভাবনা বাড়িয়েছে।
জাতীয় আবহাওয়া সেবা জানিয়েছে, সেন্ট পিটার্সবার্গের আলবার্ট হুইটেড বিমানবন্দরে বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ১৬.৬১ ইঞ্চি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এদিকে সারাসোটা-ব্র্যাডেন্টন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ৬৯ মাইল (১১১ কিলোমিটার) বেগে বাতাস ও ১০২ মাইল (১৬৫ কিলোমিটার) বেগে ঝড়ো হাওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
https://twitter.com/i/status/1844176913952288791
জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্র বুধবার রাতে টাম্পা বেই এলাকায় বিশেষ করে টাম্পা, সেন্ট পিটার্সবার্গ এবং ক্লিয়ারওয়াটার শহরের জন্য ফ্ল্যাশ ফ্লাড সতর্কতা জারি করেছে।
মঙ্গলবার রাত ১০টার (স্থানীয় সময়) সর্বশেষ আপডেট অনুযায়ী, ঝড়টির কেন্দ্রীয় চাপ ছিল ৯৫৮ মিলিবার এবং এর গতি ছিল পূর্ব-উত্তরপূর্ব দিকে। ঝড়টি এখনো শক্তিশালী অবস্থায় রয়েছে এবং ফ্লোরিডার আরো অভ্যন্তরীণ এলাকায় ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে।
দ্যা গার্ডিয়ান
Editor and Publisher : Nityananda Sarkar,
News Editor- Arun Sarkar.