আন্তর্জাতিক ডেস্ক //
গাজা খালি করার বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরিকল্পনার বিরোধিতা করেছে ইরান। তেহরান বলেছে, গাজার ভবিষ্যৎ নির্ধারণের অধিকার শুধু ফিলিস্তিনিদের, বাইরের কোনো শক্তির নয়।
সোমবার (৩ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এ খবর দিয়েছে তাসনিম নিউজ।
মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় গাজা সংকট কেবলমাত্র ইসরাইল-ফিলিস্তিন সংঘাতের বিষয় নয়, বরং এটি আঞ্চলিক শক্তিগুলোর কৌশলগত স্বার্থের লড়াইয়েরও কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।
এই প্রেক্ষাপটে, ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকাই স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন, গাজার ফিলিস্তিনিদের মিশর ও জর্ডানে স্থানান্তরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাব একেবারেই গ্রহণযোগ্য নয়।
একইসঙ্গে পশ্চীম তীরে ইসরাইলের অব্যাহত আগ্রাসন এবং গাজায় যুদ্ধবিরতির পরও চলমান সহিংসতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও ইসলামি দেশগুলোর প্রতি কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।
এদিকে ফিলিস্তিন ঘিরে থাকা পাঁচটি আরব দেশ এক যৌথ বিবৃতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গাজা উপত্যকার বাসিন্দাদের পুনর্বাসনের প্রস্তাবের তীব্র বিরোধিতা করেছে।
মিশর, জর্ডান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব এবং কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা এক বৈঠকে বসেন এবং যে কোনো উপায়ে ফিলিস্তিনিদের জোরপূর্বক স্থানান্তরের বিরুদ্ধে নিজেদের অবস্থান জানিয়ে দেন।
বৈঠক শেষে এক বিবৃতিতে তারা জানিয়েছে, ‘গাজার বাসিন্দাদের অন্য দেশে স্থানান্তরের প্রস্তাব আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বিনষ্ট করবে এবং সংঘাত বাড়িয়ে তুলবে’।
রয়টার্স জানিয়েছে, এ নিয়ে পাঁচ আরব দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওকে একটি যৌথ চিঠি দিয়েছেন। চিঠিটি গতকাল সোমবার পাঠানো হয়। এছাড়া চিঠিতে সই করেছেন ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা হুসেইন আল-শেখও
মতামত জানান।
Editor and Publisher : Nityananda Sarkar,
News Editor- Arun Sarkar.