আন্তর্জাতিক ডেস্ক //
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানিয়েছেন, তেহরান কখনো চাপ ও ভয়ভীতির মুখে কোনো আলোচনা গ্রহণ করবে না।
সোমবার (১০ মার্চ) এক প্রতিবেদনে এ খবর দিয়েছে তাসনিম নিউজ।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, তিনি ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন পরমাণু চুক্তি নিয়ে আলোচনা করার জন্য।
সোমবার নিজের এক্স অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে আরাগচি বলেন, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি অতীতেও সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ ছিল এবং ভবিষ্যতেও তাই থাকবে। এর তথাকথিত সামরিকীকরণের সম্ভাবনা বলে কিছুই নেই।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, আমরা চাপ ও ভয়ভীতির মধ্যে কখনোই আলোচনায় বসবো না, এমনকি আলোচনার বিষয়বস্তু যা-ই হোক না কেন। আলোচনা এবং হুমকি কিংবা শর্ত চাপিয়ে দেওয়া এক জিনিস নয়।
আরাগচি আরও জানান, আমরা এখন ইউরোপের তিন দেশ (ই থ্রি) এবং আলাদাভাবে রাশিয়া ও চীনের সঙ্গে সমান অবস্থানে থেকে পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে পরামর্শ চালিয়ে যাচ্ছি। আমাদের লক্ষ্য হলো ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আরও আস্থা ও স্বচ্ছতা তৈরি করা, যাতে অবৈধ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, অতীতে যখন যুক্তরাষ্ট্র সম্মানজনক ভাষা ব্যবহার করেছে, তখনই ইরান থেকে সম্মান পেয়েছে। কিন্তু যখন তারা হুমকির ভাষা ব্যবহার করেছে, তখন তার জবাবও যথাযথভাবে দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি কর্মের একটি প্রতিক্রিয়া থাকে।
এর আগে এ প্রসঙ্গে ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক বৈঠকে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি বলেন, তেহরান কখনোই যুক্তরাষ্ট্রের চাপের মুখে নতি স্বীকার করে আলোচনায় বসবে না। ওয়াশিংটনের আলোচনার আহ্বানের মূল লক্ষ্য হলো নিজেদের শর্ত ইরানের ওপর চাপিয়ে দেওয়া।
খামেনি বলেন, ‘কিছু শক্তিধর দেশ আলোচনা নিয়ে যেভাবে জোর দিচ্ছে, তা আসলে কোনো সমস্যার সমাধান নয় … তাদের কাছে আলোচনা মানে নতুন নতুন দাবি তোলা। এটি শুধু ইরানের পরমাণু ইস্যু নিয়ে নয় … ইরান অবশ্যই তাদের শর্ত মেনে নেবে না।’
মতামত ব্যক্ত করুন।
Editor and Publisher : Nityananda Sarkar,
News Editor- Arun Sarkar.