অনলাইন ডেস্ক //
নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত মানে কী-এ নিয়ে বিস্তর বিশ্লেষণ করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন। বুধবার তার নিজের ফেসবুক স্ট্যাটাসে লেখা পোস্ট হুবহু তুলে ধরা হলো।
নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত মানে কী? এ শিরোনামে ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের এই গবেষক লেখেন, ‘ক্ষুদ্র রাজনৈতিক স্বার্থে ডিজইনফরমেশন অ্যান্ড প্রোপাগান্ডা ছড়ানো? ফ্যাসিবাদের সময়ে যারা সবচেয়ে বেশি গুম-খুন, হামলা-মামলার শিকার হয়েছেন, তাদের বিরুদ্ধে হেইট ক্যাম্পেইন চালানো?’
‘অন্তর্বর্তী সরকারের ভেতরে থেকে নতুন দল গঠন, বিতর্কিত পৃষ্ঠপোষকতা ও অর্থায়ন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের রোল, স্পিরিট অ্যান্ড ক্রেডিটকে দলীয়করণ, কিংবা অনির্বাচিত সকারের মেয়াদে ম্যানিপুলেটেড এক্সটেনশন — এর কোনোটাই নিশ্চয়ই নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত নয়!’
মাহদী আমিন আরও লেখেন, ‘নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের অর্থ হওয়া উচিত শিষ্টাচার, সম্মানবোধ, এবং সহাবস্থান — যেটি অধিকাংশ অ্যাক্টিভিস্টের মধ্যে বিরাজ করলেও, কিছু ব্যতিক্রম রয়েছে, যা কাম্য নয়। কারো পার্সপেক্টিভ বা নীতির সঙ্গে সবাই একমত নাও হতে পারেন, এটিই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। কিন্তু তার মানে এই নয় যে, সেই ব্যক্তি বা তার আদর্শকে হেনস্থা বা অপপ্রচার করা উচিত।’
‘নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত বলতে আমরা বুঝি জনগণের সঙ্গে থাকা, জনগণের পাশে থাকা। দল ও দেশ পরিচালনায় গণআকাঙ্খার প্রতিফলন ঘটানো, তাদের জীবনের সমস্যার সমাধান করা। জনগণই সব রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস —এটি ধারণ করা ও সেই ক্ষমতার বাহন হিসেবে রাষ্ট্র পরিচালনায় গণমানুষের সম্পৃক্ততা ও প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা।’
‘আর তাই, ভিন্নমত থাকা সত্ত্বেও গঠনমূলক আলোচনা, সমালোচনা, এবং পর্যালোচনার সুযোগ থাকা দরকার। তবে তা যদি হয় জোর করে চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা, অনলাইনের মব কালচার, বা প্ল্যান্ড ক্যারেক্টার অ্যাসাসিনেশন, সেটি হয়ে ওঠে স্বৈরশাসনের লক্ষণ।’
ফেসবুক স্ট্যাটাসের শেষে তিনি লেখেন,‘ফ্যাসিবাদ পরবর্তী বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে হলে প্রয়োজন পজিটিভ অ্যান্ড প্রগ্রেসিভ পলিটিক্স এবং ইনক্লুসিভ অ্যান্ড টলারেন্ট পলিসিস। বিভাজন ও বৈষম্যের দিকে না গিয়ে, সবাই মিলে ঐক্যবদ্ধ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করলে, সেটিই হবে গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্খার প্রতিফলন।’
মতামত ব্যক্ত করুন।
Editor and Publisher : Nityananda Sarkar,
News Editor- Arun Sarkar.