
ঢাকা //
পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম বলেছেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পুলিশ পেশাদারিত্ব, নিরপেক্ষতা ও দায়িত্ববোধের প্রমাণ রাখতে সক্ষম হবে। পুলিশ আজ এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। বাহিনীর সদস্যদের মনোবল চাঙ্গা করা এবং জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধারে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি।
তিনি মঙ্গলবার পুলিশ সদরদপ্তরের হল অব ইন্টেগ্রিটিতে ২০০৮ সালে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত এবং সম্প্রতি যোগ দেওয়া ২৭ তম বিসিএস (পুলিশ) ব্যাচের এএসপি প্রবেশনারদের উদ্দেশ্যে এ কথা বলেন।
আইজিপি বলেন, এটি কেবল একটি ব্যক্তিগত সাফল্য নয়; এটি আপনার ন্যায্য অবস্থানের পুনঃপ্রতিষ্ঠা। ছাত্র–জনতার নেতৃত্বে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের বিজয় আপনাদের দীর্ঘদিনের বঞ্চনার দ্বার খুলে দিয়েছে। আপনারা বৈধ অধিকার পুনরুদ্ধার করেছেন। আপনাদের প্রত্যেকেরই রয়েছে পূর্বতন কর্মক্ষেত্রে বিপুল অভিজ্ঞতা। সে অভিজ্ঞতাই আপনাদের শক্তি এবং পেশাগত দিকনির্দেশক হিসেবে কাজ করবে।
পুলিশ প্রধান বলেন, আজ আমরা এক নতুন বিশ্বে দাঁড়িয়ে আছি। সাইবার জগতে অপরাধ বাড়ছে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জনমত গড়ে উঠছে। বর্তমান বাস্তবতায় কেবল শারীরিক শক্তি বা প্রথাগত পদ্ধতিতে পুলিশিং করলে হবে না। এখন প্রয়োজন বুদ্ধিমত্তা, বৈশ্বিক সচেতনতা এবং প্রযুক্তিগত অভিযোজন সক্ষমতা। পুলিশের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব হিসেবে আপনাদের সততা ও পেশাদারিত্ব ডিজিটাল পরিসরেও বিস্তৃত হতে হবে।
আইজিপি সময়ানুবর্তিতা, শৃঙ্খলা এবং বিধি–বিধানের প্রতি কঠোর আনুগত্য বজায় রেখে পুলিশ একাডেমিতে প্রশিক্ষণ গ্রহণের জন্য এএসপি প্রবেশনারদের প্রতি আহ্বান জানান। তাদের মধ্যে ২৭ তম ব্যাচের ৬০ জন, ২৮ তম ব্যাচের একজন এবং ৪৩ তম ব্যাচের ৬ জন কর্মকর্তা রয়েছেন। ২৭ তম বিসিএস (পুলিশ) ব্যাচের বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিয়োগ লাভ করেন।
অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত আইজিপি (প্রশাসন) এ কে এম আওলাদ হোসেন, অতিরিক্ত আইজিপি (অর্থ) আকরাম হোসেন, অতিরিক্ত আইজিপি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) খোন্দকার রফিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত আইজিপি (লজিস্টিকস) মুসলেহ উদ্দিন আহমদ এবং অতিরিক্ত আইজিপি (ডেভেলপমেন্ট) সরদার নূরুল আমিন উপস্থিত ছিলেন।
নিয়মিত সংবাদের সাথে যুক্ত থাকুন।
Editor and Publisher : Nityananda Sarkar,
News Editor- Arun Sarkar.