
জৈন্তাপুর থেকে ঘুরে এসে জামাল আহমদ, স্টাফ রির্পোটার, সিলেট //
প্রতীকী ছবি। সিলেটের জৈন্তাপুরে চোরাচালান ও মাদক নির্মূলে পুলিশের উদ্ধার অভিযান এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। তাও মাত্র দুই মাসে এই অভিযান "চোখে পড়ার মতো।"
সিলেট জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় জৈন্তাপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মাহবুবুর রহমান মোল্লা'র "তত্ত্বাবধানে এই নজিরবিহীন" অভিযান পরিচালনা করা হয়। এমনটি সত্যতা মিলেছে সরেজমিন অনুসন্ধানে।
সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, জৈন্তাপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মাহবুবুর রহমান মোল্লা জৈন্তাপুরে যোগদানের পর চোরাচালান ও মাদক নির্মূলে সঙ্গীয় পুলিশ সদস্যদের নিয়ে একযোগে কাজ করে যাচ্ছেন।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের চোরাচালান-মাদক নির্মূল দিকনির্দেশনা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে "শত বাধা-বিপত্তিকে পেছনে ফেলে" তিনি ও তার পুলিশ সদস্যরা এই চোরাচালান-মাদক নির্মূলে কাজ করে সাফল্য অর্জন করতে দেখা গেছে।
বিগত আগষ্ট-সেপ্টেম্বর এই দুই মাসে চোরাচালান-মাদক উদ্ধার অভিযান চালিয়ে ১৩,৯০০,৬২০/=(এক কোটি ঊনচল্লিশ লাখ ছয়শ বিশ টাকা)'র মালামাল জব্দ করতে সক্ষম হয় থানা পুলিশ। এতে বিভিন্ন ধরণের ভারতীয় অবৈধ পণ্য, হরেকরকম মাদক, মোটর সাইকেল উদ্ধার সহ চোরাকারবারী-মাদক ব্যাবসায়ীরাও আটক হতে দেখা যায়। অনুসন্ধানকালে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে জৈন্তাপুর মডেল থানা পুলিশের একটি সংশ্লিষ্ট সূত্র।
এদিকে থানা পুলিশের আপোষহীন নেতৃত্বকে মলিন করতে একটি প্রভাবশালী "সুবিধাভোগী মহল তৎপর" রয়েছে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা বন্ধে। উল্টো থানা পুলিশের বিরুদ্ধে কৗশল অবলম্বন করে অতি গোপনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে দিতে একটি লোভিং গোষ্টি কাজ চালিয়ে যাচ্ছে বলে অনুসন্ধ্যানে নিশ্চিত হওয়া গেছে। এতে নিয়োজিত রয়েছেন কথিত কিছু “ভুঁইফোড় চাঁদাবাজ” হলুদ সংবাদকর্মীরা।
সরেজমিন জানা যায়, জৈন্তাপুর সীমান্ত এলাকায় প্রতিনিয়ত বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) চোরাচালান-মাদক রোধে কাজ করে যাচ্ছে। মানব পাচার রোধ ও পুশইন ঠেকাতে তারা বেশ দায়িত্বশীল ভুমিকা পালন করছে। পাশাপাশি জৈন্তাপুর মডেল থানা পুলিশ এনিয়ে সোচ্চার।
এবিষয়ে জানতে জৈন্তাপুর মডেল থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মাহবুবুর রহমান মোল্লা'র মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি প্রতিবেদক'কে বলেন, চোরাচালান, মাদক নির্মূল, মানব পাচারকারীদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরন করা হচ্ছে। এছাড়াও তিনি বলেন, জৈন্তাপুর উপজেলায় যে কোন ধরণের অপরাধ ঠেকাতে পুলিশ বদ্ধ পরিকর, সেই হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে পুলিশ। এসময় তিনি বলেন, অপরাধমুলক কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম হলো স্বাধীন মতপ্রকাশের স্থান। সেখানে যদি কেউ তার অভিমত প্রকাশ করে তাহলে করতেই পারে, আমাদের দায়িত্ব হলো জনগণের জানমাল নিরাপত্তায় কাজ করে যাওয়া এবং অপরাধ দমনে সোচ্চার হওয়া। আমি ও আমার সকল পুলিশ সদস্য তাই করছি। পাশাপাশি আমার উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দিকনির্দেশনা মেনে অপরাধ দমনে অভিযান পরিচালনা করে যাচ্ছি।
নিয়মিত সংবাদ পড়ুন, মতামত জানান।
Editor and Publisher : Nityananda Sarkar,
News Editor- Arun Sarkar.