
জামালপুর প্রতিনিধি //
প্রতীকী ছবি। জামালপুরের মাদারগঞ্জে নিখোঁজের তিন দিন পর মরিয়ম বুশরা নামে সাত বছরের শিশুর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জামিনুর রহমান (৩২) নামে ঘরের মালিককে গ্রেফতার করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃত জামিনুর রোববার জামালপুর কোর্টে শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করে মেঝেতে পুঁতে রাখার কথা স্বীকার করেছে।
নিহত মরিয়ম বুশরা উপজেলার চর লোটাবর গ্রামের বাহাদুর মণ্ডলের মেয়ে। সে সিধুলি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টায় শিশু মরিয়ম সিধুলি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যায়। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মা ববিতা বেগম বিদ্যালয়ে গিয়ে মেয়েকে না দেখে খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে মাদারগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। শনিবার রাতে সিধুলি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সংলগ্ন জামিনুর রহমানের ঘরের ভেতরে এক শিশুর লাশ পুঁতে রাখার তথ্য পায় পুলিশ। পরে মাদারগঞ্জ থানার ওসি ও শ্যামগঞ্জ কালীবাড়ি তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে জামিনুরের ঘরের মেঝে খুঁড়ে নিখোঁজ মরিয়মের লাশ উদ্ধার করে।
মাদারগঞ্জ থানার ওসি স্নেহাশীষ রায় জানান, গ্রেফতারকৃত জামিনুরকে কোর্টে তোলা হলে শিশু মরিয়মকে ধর্ষণের পর হত্যা করার কথা স্বীকার করেছে। এ ঘটনায় জামিনুর রহমান ও তার স্ত্রী সবুজা বেগমকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।
সংবাদ পড়ুন, মতামত জানান।
Editor and Publisher : Nityananda Sarkar,
News Editor- Arun Sarkar.