
ঢাকা //
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, চাঁদাবাজি ও দখলদারির সঙ্গে বিএনপি জড়িত নয়। এসব নিয়ে অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
গতকাল সোমবার বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল পূর্ববর্তী সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি।
নজরুল ইসলাম বলেন, কোনো চাঁদাবাজির সঙ্গে আমরা জড়িত নই। প্রকৃত নেতাকর্মীরা কেউ জড়িত নয়। যে আসলে শহীদ জিয়ার কর্মী সে কখনও চাঁদাবাজ, দখলবাজ হতে পারে না। চাঁদাবাজরা বিএনপির না।
তিনি বলেন, আমরা কারও কাছে হাত পাতি না। আমরা পরিশ্রমী মানুষ। নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তাই জনগণের শান্তি ও সরকারের উন্নয়ন প্রয়াসকে যারা নষ্ট করছে, তাদের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে হবে।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা শহীদ জিয়াউর রহমান বলেছিলেন আমি একজন শ্রমিক এবং এজন্য আমি গর্ববোধ করি। বিএনপি বরাবর গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারকারী জনগণের পক্ষের দল। আমাদের নেতাকর্মীরা জেল খেটেছেন। মনে রাখতে হবে গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও শান্তির জন্য ১৯৭১ সালে মানুষ রক্ত দিয়েছে। এরপরও ১৭ বছর আমাদের লড়াইয়ের ময়দানে থাকতে হয়েছে। ২৪-এ সবচেয়ে বেশি শহীদ হয়েছেন শ্রমজীবী মানুষ।
বিক্ষোভ মিছিলে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে, গতকাল সোমবার সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ডক্টর অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) উদ্যোগে আয়োজিত এক সমাবেশে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ফরহাদ হালিম ডোনার বলেছেন, শেখ হাসিনার শাসনামলে ভয় পাননি, তাই এখন কাউকে ভয় পাওয়ারও কারণ নেই।
তিনি বলেন, দেশ যখন উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, তখন ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় জনগণকে চোখ-কান খোলা রেখে সতর্ক থাকতে হবে।
ফরহাদ হালিম ডোনার বলেন, শেখ হাসিনার থেকে তো আপনারা বেশি স্বৈরাচার হতে পারবেন না। অর্থাৎ তাকে যখন আমরা ভয় পাইনি, আপনাদের ভয় পাওয়ার কিছু নাই।
বিদ্যুৎ ও পেট্রোলের সমস্যা নিয়ে আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, এসব সমস্যা বিএনপি সৃষ্টি করেনি তাহলে এসব সমস্যা নিয়ে আবার লংমার্চ কেন এমন প্রশ্নও তোলেন তিনি।
ডোনার বলেন, উনারা বলেন যে বিদ্যুতের সমস্যা, এটা পেট্রোলের সমস্যা। আবার উনাদের নেতা সংসদে দাঁড়িয়ে বলতেছেন, এই সমস্যা বিএনপির সৃষ্টি না, এই সমস্যা হয়েছে সরাসরি শেখ হাসিনার আমলের সরকারে। তিনি নিজেই যদি স্বীকার করেন, তাহলে আবার এই লংমার্চ কেন?
দেশের উন্নয়ন প্রসঙ্গে বিএনপির এই নেতা বলেন, দীর্ঘদিনের আন্দোলনের পর দেশে যেসব ক্ষতি হয়েছে, সেগুলো ঠিক করাই এখন তাদের কাজ।
তিনি বলেন, আমরা ১৭ বছর আন্দোলন করছি। যেখানে যা ক্ষতি হয়েছে, সেটা আমরা ঠিক করব। এ সময় ডক্টর অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
মতামত জানান।
Editor and Publisher : Nityananda Sarkar,
News Editor- Arun Sarkar.