
হবিগঞ্জ, স্টাফ রিপোর্টার //
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মামলায় এজাহারভুক্ত আসামি তাজুল মহুরি (৪৫) গত ১৭ বছরে আওয়ামী লীগের ছত্র ছায়ায় থেকে শতকোটি টাকার মালিক বনে গেছেন। মামলা থাকার পরেও জেলা সাবরেজিস্ট্রার অফিসে কাজ করে যাচ্ছেন নির্ভয়ে।
প্রতিদিন সাবরেজিস্ট্রারের সাথে আতাঁত করে লাখ থেকে দেড় লাখ টাকা কামাই করছেন। মাঝে মধ্যে জনতা তাকে আটক করলেও নাজরানা দিয়ে ছুটে যান। এমন অভিযোগ থাকার পরও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা নিরব ভূমিকা পালন করছে।
গত রবিবার বিকালে সাবরেজিস্ট্রার অফিসের সামনে ছাত্রজনতা তাকে আটক করে উত্তম মধ্যম দেয়। এক পর্যায়ে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ যাবার আগেই তাকে ছেড়ে দেয়া হয়। এ নিয়ে শহরজুড়ে চলছে সমালোচনা আলোচনা। এনিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও বিভিন্ন পত্রিকায় তাজুল মুহরিকে নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়।
এলাকাবাসী জানান, রিচি গ্রামের জনাব আলীর পুত্র তাজুল মুহরি ৮ম শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া করে ২০০৯সালে এমপি আবু জাহিরের হাত ধরে বিভিন্ন ভূয়া দলিল করে ২০২৪ সাল পর্যন্ত শত কোটি টাকার মালিক বনে যান। অলিপুর ও হবিগঞ্জ শহরে তার রয়েছে বেশ কয়েকটি আলিশান বাড়ি। দুদক এ বিষয়ে মামলাও করেছে। এরপরও সে বীরদর্পে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। এলাকাবাসী অবিলম্বে তাকে গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন।
আপনাদের যে কোন মতামত সাদরে গ্রহণ করা হবে।