
ক্রীড়া ডেস্ক //
বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো খেলতে এসেছে আফ্রিকার দেশ কেপ ভার্দে। ওদিকে স্পেন ২০১০ বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন। দুই দল মুখোমুখি হয়। এমন শুরু তো স্বপ্নের মতোই। কেপ ভার্দে কি ভেবেছিল তারা রুখে দেবে ইউরোপের চ্যাম্পিয়ন স্পেনকে? হয়ত ভাবেনি। কিন্তু ৯০ মিনিটের খেলার ফল বলছে, গোল করতে পারেনি স্পেন। প্রথমবার বিশ্বকাপ খেলতে আসা ব্লু সার্কেরা পেয়েছেন মহামূল্যবান এক পয়েন্ট।
কেপ ভার্দে এবং তাদের গোলরক্ষক ভোজিনিয়া বড় কৃতিত্ব পেতে পারেন। ইউরোপ সেরাদের ৮৫ মিনিট পর্যন্ত আটকে রাখা চাট্টিখানি কথা নয়! হয়েছে তাই। গোলের জন্য মরিয়া হয়ে থাকা স্পেন ভালো করে গোলে শটই নিতে পারছে না।
ঠিক এমন অবস্থায় মিকেল মেরিনোর বদলি হয়ে ৭১ মিনিটে মাঠে নামেন লামিনে ইয়ামাল। পুরোপুরি সুস্থ হয়ে না ওঠা ইয়ামালকে নিয়েই বাজি ধরতে চাচ্ছেন কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে।
এর চেয়ে ভালো শুরু হতেই পারত না কেপ ভার্দের। দলটি শুরুর ৪৫ মিনিটে চোয়াল বদ্ধ রক্ষণে আটকে দিয়েছে স্পেনকে। এই সময়ে গোলের জন্য একাধিক শট নিয়েছে, বলের দখল রেখেছে বেশি সময় ধরে। তবে কাজের কাজটাই হয়নি স্রেফ।
স্পেনের আক্রমণ বনাম কেপ ভার্দের রক্ষণ-
স্পেন বনাম কেপ ভার্দে ম্যাচের শুরু থেকেই স্পেন পাসিং ছন্দে খেলছে। কিন্তু কেপ ভার্দে শুরু থেকে পাঁচ ডিফেন্ডার নিয়ে নেমেছে। জার্মানি-কুরাসাওয়ের ম্যাচ দেখে যেন এই শিক্ষা নিয়েছে কেপ ভার্দে। স্পেনের সব আক্রমণ দলটি সামলাচ্ছে চোয়াল চেপে। শুরুর কোয়ার্টারে স্পেন আক্রমণ করে গেছে, আর কেপ ভার্দে ঠেকিয়েছে একের পর এক।
লামিনে ইয়ামাল ও উইলিয়ামস না থাকায় স্পেনের দুই উইংয়ের স্বাভাবিক খেলা দেখা যাচ্ছে না। দ্বিতীয়ার্ধে তারা ফিরলে হয়তো পরিস্থিতি বদলাবে।